পিএসসি নন-ক্যাডার নিয়োগ ২০২৬ ঘোষণার গ্রাফিক — সংসদ ভবন, সরকারি সিলমোহর ও নিয়োগপত্র

Table of Contents

intro

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দুটি আলাদা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৪৭ জনকে সরাসরি নিয়োগ দিচ্ছে। সাব-রেজিস্ট্রার, নার্স মিডওয়াইফ, সিস্টেম এনালিস্ট, জুনিয়র কনসালটেন্টসহ গ্রেড-৫ থেকে গ্রেড-১২ পর্যন্ত পদ রয়েছে। অনলাইন আবেদন চলবে ১ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২টা থেকে ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, ঠিকানা bpsc.teletalk.com.bd। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে ১৯ অক্টোবর কমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে।

বিসিএসের বাইরে সরকারি চাকরির সবচেয়ে সম্মানজনক দরজাটা যে পিএসসির নন-ক্যাডার নিয়োগ — এটা অনেকেই ভুলে যান। অথচ একই বিজ্ঞপ্তিতে কেউ নবম গ্রেডের সাব-রেজিস্ট্রার হচ্ছেন, কেউ ষষ্ঠ গ্রেডের প্রোগ্রামার। আমার অভিজ্ঞতায়, নন-ক্যাডারের সার্কুলারগুলোতে প্রতিযোগিতা বিসিএসের চেয়ে কম, কিন্তু পদের মর্যাদা কোনো অংশে কম নয়। সমস্যাটা হলো — দুটি আলাদা বিজ্ঞপ্তি, ১৯টা ক্যাটাগরি, গ্রেডভেদে ভিন্ন ফি আর ভিন্ন বয়সসীমা; অনেক যোগ্য প্রার্থী শুধু তথ্যের জটিলতায় আবেদনটাই ঠিকমতো করতে পারেন না।

এই লেখায় আমি দুটি বিজ্ঞপ্তির সব তথ্য এক জায়গায় সাজিয়ে দিলাম — পদভিত্তিক যোগ্যতা, বয়স, বেতন, ফি, আবেদনের ধাপ, আর শেষে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির দিকনির্দেশনা। যেন একবার পড়লেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, কোন পদে আবেদন করবেন।

৯ম থেকে ১২তম গ্রেডের পদগুলোতে লিখিত পরীক্ষা হবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে — তাই সার্কুলার দেখার দিন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ।

এক নজরে পিএসসি নন-ক্যাডার নিয়োগ ২০২৬

বিষয়তথ্য
প্রতিষ্ঠানবাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি), আগারগাঁও, ঢাকা
বিজ্ঞপ্তির সংখ্যা২টি (স্মারক ৮০.০০.০০০০.০০০.৩০১.৭৩.০১৪ (০০৪).২৬-৩৫৪ এবং ৩৫৫)
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ১৯ অক্টোবর ২০২৬, bpsc.gov.bd
পদের ক্যাটাগরি১৯টি
মোট শূন্যপদ১৪৭ জন
বেতন গ্রেডগ্রেড-৫ থেকে গ্রেড-১২
বয়সসীমাপদভেদে সর্বোচ্চ ৩২–৪০ বছর (০১/১০/২০২৬ হিসাবে)
আবেদনের মাধ্যমঅনলাইন — bpsc.teletalk.com.bd
আবেদন শুরু১ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:০০টা
আবেদনের শেষ তারিখ৩০ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ০৬:০০টা
আবেদন ফি২০০/-, ১৫০/- বা ৫০/- টাকা (গ্রেড অনুযায়ী)

দুটো বিজ্ঞপ্তি মিলিয়ে ১৪৭ — সংখ্যাটা দেখে ছোট মনে হলেও মনে রাখবেন, নন-ক্যাডারে প্রতিটা পদের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বিসিএসের ধারেকাছেও যায় না। বিশেষ করে সাব-রেজিস্ট্রারের ৮৪টা পদ এবারের সার্কুলারের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

দুটি বিজ্ঞপ্তি, দুই রকম সুযোগ — পার্থক্যটা বুঝে নিন

প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে রয়েছে উচ্চতর বেতন স্কেলের ১২টি পদ (৫ম ও ৬ষ্ঠ গ্রেড) — এগুলো অভিজ্ঞ ও উচ্চযোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য। দ্বিতীয়টি সমন্বিত নিয়োগের ১৩৫টি পদ (৯ম থেকে ১২তম গ্রেড) — এখানেই নতুন গ্র্যাজুয়েটদের মূল সুযোগ। দুটোর আবেদন প্রক্রিয়া একই ওয়েবসাইটে, কিন্তু ফি ও যোগ্যতা আলাদা।

অংশ ১: ৫ম ও ৬ষ্ঠ গ্রেডের ১২টি পদ

ক্র.পদের নামপদসংখ্যাগ্রেড ও বেতন স্কেল
১সিস্টেম এনালিস্ট০৩গ্রেড-৫, ৮৬,০০০–১,৩৯,৭০০/-
২রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী০১গ্রেড-৬, ৭১,০০০–১,৩৪,০০০/-
৩সহকারী প্রধান স্থপতি০২গ্রেড-৬, ৭১,০০০–১,৩৪,০০০/-
৪প্রোগ্রামার০১গ্রেড-৬, ৭১,০০০–১,৩৪,০০০/-
৫জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন)০৫গ্রেড-৬, ৭১,০০০–১,৩৪,০০০/-
মোট১২

যোগ্যতা সংক্ষেপে: সিস্টেম এনালিস্ট ও প্রোগ্রামার পদে সিএসই/ইইই/আইসিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি লাগবে, সঙ্গে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ৩–৪ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা। রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলীর ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ৪ বছরের। সহকারী প্রধান স্থপতি পদে স্থাপত্য কৌশলে স্নাতক (সম্মান) এবং নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডে ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) পদে এমবিবিএস বা বিডিএসের সঙ্গে এফসিপিএস/এমফিল/এমডি/এমএস বা স্বীকৃত পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি এবং ৪ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। বয়স: সিস্টেম এনালিস্ট ও জুনিয়র কনসালটেন্টে সর্বোচ্চ ৪০ বছর, বাকিগুলোতে ৩৫ বছর।

আমার পর্যবেক্ষণ: এই অংশের পদগুলোতে প্রতিযোগী কম হয়, কারণ অভিজ্ঞতার শর্তটা অনেককে ছেঁটে দেয়। আইটি ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে সরকারি চাকরিতে থাকা কারও জন্য সিস্টেম এনালিস্টের ৩টা পদ সত্যিকারের সুবর্ণ সুযোগ — গ্রেড-৫ মানেই শুরুর বেতন ৮৬ হাজার টাকা।

অংশ ২: ৯ম থেকে ১২তম গ্রেডের ১৩৫টি পদ

ক্র.পদের নামপদসংখ্যাগ্রেড ও বেতন স্কেল
১আইন কর্মকর্তা০১গ্রেড-৯, ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০/-
২বয়লার পরিদর্শক০২গ্রেড-৯, ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০/-
৩সহকারী শীতাতপ রক্ষণ প্রকৌশলী (গ্রেড-২)০১গ্রেড-৯, ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০/-
৪গবেষণা কর্মকর্তা০১গ্রেড-৯, ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০/-
৫সাব-রেজিস্ট্রার৮৪গ্রেড-৯, ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০/-
৬প্রটোকল অফিসার০১গ্রেড-১০, ৩২,০০০–৭৭,৩০০/-
৭সাব-এসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার০৭গ্রেড-১০, ৩২,০০০–৭৭,৩০০/-
৮সহকারী প্রটোকল অফিসার০১গ্রেড-১০, ৩২,০০০–৭৭,৩০০/-
৯ফটো টেকনিশিয়ান০৩গ্রেড-১০, ৩২,০০০–৭৭,৩০০/-
১০এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনার০৯গ্রেড-১১, ২৫,০০০–৬০,৫০০/-
১১সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্রেড) — বৃত্তিমূলক/বাণিজ্যিক/শিল্প ও নকশা শাখা০২গ্রেড-১১, ২৫,০০০–৬০,৫০০/-
১২সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্রেড) — হস্তশিল্প ও সমজাতীয় প্রশিক্ষণ শাখা০২গ্রেড-১১, ২৫,০০০–৬০,৫০০/-
১৩সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্রেড) — দপ্তর বিজ্ঞান শাখা০২গ্রেড-১১, ২৫,০০০–৬০,৫০০/-
১৪নার্স মিডওয়াইফ১৯গ্রেড-১২, ২৪,৩০০–৫৮,৭০০/-
মোট১৩৫

যোগ্যতা সংক্ষেপে: সাব-রেজিস্ট্রার পদে ৪ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) অথবা স্নাতকসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি — বিষয়ের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তাই যেকোনো বিষয়ের গ্র্যাজুয়েট আবেদন করতে পারবেন। এটাই এবারের সার্কুলারের সবচেয়ে বড় দরজা। আইন কর্মকর্তা পদে ৪ বছরের এলএলবি (সম্মান) ও বার কাউন্সিলের সনদসহ ৩ বছরের আইন পেশার অভিজ্ঞতা; বয়লার পরিদর্শকে যন্ত্রকৌশলে ৪ বছরের স্নাতক; গবেষণা কর্মকর্তায় অর্থনীতি/লোকপ্রশাসন/সমাজবিজ্ঞান/পরিসংখ্যান/গণিত/বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর বা এমবিএ। সাব-এসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার পদে পলিটেকনিক থেকে ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিক্স/মেকানিক্যাল/কম্পিউটার/সফটওয়্যারে ৪ বছরের ডিপ্লোমা — ডিপ্লোমাধারীদের জন্য এটা দারুণ সুযোগ, কারণ উচ্চতর ডিগ্রি থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক। নার্স মিডওয়াইফে নার্সিং ডিপ্লোমা ও বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন। এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনার ও তিনটি সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্রেড) পদে কেবল মহিলা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

আপনার যোগ্যতায় কোন পদ? নিজে মিলিয়ে নিন

সার্কুলার পড়ে সবচেয়ে কঠিন কাজটা হলো নিজের যোগ্যতার সঙ্গে পদ মেলানো। আমি একটা সহজ ফ্রেম দিচ্ছি। যেকোনো বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর থাকলে সরাসরি সাব-রেজিস্ট্রারের ৮৪টা পদের দিকে তাকান — বিষয়ের বাধা নেই, বয়স ৩২ পর্যন্ত, আর সরকারি চাকরিতে থাকলে ৩৫ পর্যন্ত শিথিল। আমার মতে, সংখ্যার দিক থেকে এটাই সবচেয়ে নিরাপদ বাজি।

ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে বয়লার পরিদর্শক, সহকারী শীতাতপ রক্ষণ প্রকৌশলী বা ডিপ্লোমা থাকলে সাব-এসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার — এই পদগুলোতে প্রতিযোগী স্বাভাবিকভাবেই কম। নার্সিং পড়ুয়াদের জন্য ১৯টা নার্স মিডওয়াইফ ও ৯টা এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনার পদ একসঙ্গে আসা বিরল সুযোগ। আর আইনজীবীদের জন্য আইন কর্মকর্তার একটা পদ ছোট মনে হলেও মনে রাখবেন, পিএসসির মাধ্যমে আইন কর্মকর্তা নিয়োগ খুব ঘনঘন হয় না।

একটা কৌশলগত পরামর্শ দিই: একাধিক পদে যোগ্যতা থাকলে একাধিক আবেদন করা যায়, প্রতিটার জন্য আলাদা ফি দিয়ে। কিন্তু অন্ধভাবে সব পদে আবেদন না করে লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস মিলিয়ে নিন — ৯ম থেকে ১২তম গ্রেডে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে পরীক্ষা হবে, তাই একই সিলেবাসের একাধিক পদে আবেদন করলে প্রস্তুতির পরিশ্রম একবারই।

বয়সসীমা: ০১ অক্টোবর ২০২৬ হিসাবে

বয়স গণনা করা হবে ০১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের ভিত্তিতে। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য পদভেদে সর্বোচ্চ বয়স ৩২, ৩৫ বা ৪০ বছর। সিস্টেম এনালিস্ট ও জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) পদে ৪০ বছর পর্যন্ত, রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী, সহকারী প্রধান স্থপতি ও প্রোগ্রামারে ৩৫ বছর, আর দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তির প্রায় সব পদে ৩২ বছর। সাব-রেজিস্ট্রার পদে সরকারি চাকরিতে কর্মরতদের জন্য বয়স ৩৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

দুটো জিনিস খেয়াল রাখবেন। এক, বয়স প্রমাণের জন্য এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয় — সনদ বা NID-এর তারিখই চূড়ান্ত। দুই, সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় চাকরিরতরা মৌখিক পরীক্ষার সময় নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্রের মূল কপি নিয়ে যাবেন, নইলে সেখানেই বাদ পড়ার ঝুঁকি।

অনলাইনে আবেদনের ধাপ — ভুল না করে

আবেদন করতে হবে bpsc.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে, ১ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে। ফর্মে Non-Cadre অপশন সিলেক্ট করে পছন্দের পদ বেছে Applicant’s Copy (BPSC Form-5A) পূরণ করতে হবে।

আবেদন শুরুর আগে হাতের কাছে যা রাখবেন

জিনিসবিস্তারিত
শিক্ষাগত সনদের তথ্যসব পরীক্ষার রোল, বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়, পাসের সাল ও ফলাফল
জাতীয় পরিচয়পত্রNID নম্বর নির্ভুলভাবে; NID না থাকলে জন্মনিবন্ধন
রঙিন ছবি৩০০×৩০০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ১০০ KB, সদ্য তোলা (২ মাসের মধ্যে)
স্বাক্ষরের ছবি৩০০×৮০ পিক্সেল, সর্বোচ্চ ৬০ KB
টেলিটক প্রিপেইড সিমফি জমার জন্য; নিজের না থাকলে পরিবারের কারো সিম চলবে
মোবাইল নম্বরসবসময় চালু থাকে এমন নম্বর — পরীক্ষার তথ্য SMS-এ আসবে

ছবি নিয়ে আমার একটা বাস্তব পরামর্শ: স্টুডিওতে গিয়ে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে সদ্য তোলা রঙিন ছবি ব্যবহার করুন। পুরনো ছবি, সানগ্লাস পরা ছবি বা সাদাকালো ছবি দিলে আবেদন বাতিল হওয়ার নজির আছে। স্বাক্ষরটা সাদা কাগজে কালো কালিতে স্পষ্ট করে লিখে স্ক্যান করুন — ৩০০×৮০ পিক্সেলের ফ্রেমে যেন স্বাক্ষরটা ঠিকমতো বসে।

ধাপে ধাপে ফর্ম পূরণ

ধাপ ১: bpsc.teletalk.com.bd-তে গিয়ে Non-Cadre অপশন সিলেক্ট করুন, তারপর পছন্দের পদ বেছে নিন। ধাপ ২: ব্যক্তিগত ও শিক্ষাগত তথ্য NID ও সনদের সঙ্গে হুবহু মিলিয়ে পূরণ করুন — নামের বানান বা জন্মতারিখে একটা অক্ষরের অমিলও পরে বিপদ ডেকে আনতে পারে। ধাপ ৩: নির্ধারিত সাইজের ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করুন। ধাপ ৪: Application Preview ভালো করে দেখে সব ঠিক থাকলে Submit করুন। ধাপ ৫: Applicant’s Copy (BPSC Form-5A) ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন — মৌখিক পরীক্ষায় এটা লাগবেই।

সাবমিটের পর User ID পাবেন। এই User ID দিয়েই ফি জমা দিতে হবে, তাই এটা যত্নে লিখে রাখুন।

আবেদন ফি ও টেলিটক SMS-এ ফি জমার নিয়ম

ফি গ্রেড অনুযায়ী তিন ধাপে: ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৯ম ও ১০ম গ্রেডের পদে ২০০ টাকা; ১১তম ও ১২তম গ্রেডে ১৫০ টাকা; অনগ্রসর নাগরিকদের জন্য সব পদে ৫০ টাকা। এর সঙ্গে টেলিটকের সার্ভিস চার্জ যোগ হবে।

আবেদন সাবমিটের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে দুটি SMS পাঠাতে হবে — এই সময়সীমাটা সবচেয়ে বেশি মানুষ ভুলে যান। প্রথম SMS: BPSC লিখে স্পেস দিয়ে User ID, পাঠান 16222 নম্বরে (যেমন: BPSC NCRPQBCR)। ফিরতি SMS-এ একটা PIN আসবে। দ্বিতীয় SMS: BPSC YES লিখে স্পেস দিয়ে PIN, আবার 16222-তে পাঠান (যেমন: BPSC YES 12345678)। ফি জমা সফল হলে ফিরতি SMS-এ User ID ও Password আসবে — প্রবেশপত্র ডাউনলোডে এই দুটোই লাগবে, তাই স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন।

User ID বা Password হারিয়ে গেলে 16222-তে SMS করুন এই ফরম্যাটে: BPSC HELP SSC বোর্ড রোল পাসের সাল। অথবা ওয়েবসাইটের Admit Card মেনু থেকে User/Password Recovery ও Payment Status চেক করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও অফিশিয়াল লিংক

ইভেন্টতারিখ ও সময়
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ১৯ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন আবেদন শুরু১ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:০০টা
আবেদনের শেষ তারিখ৩০ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ০৬:০০টা
ফি জমার শেষ সময়আবেদন সাবমিটের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
বয়স গণনার ভিত্তি তারিখ০১ অক্টোবর ২০২৬

অফিশিয়াল লিংক: আবেদনের ওয়েবসাইট bpsc.teletalk.com.bd এবং কমিশনের ওয়েবসাইট www.bpsc.gov.bd। বিজ্ঞপ্তির পূর্ণাঙ্গ PDF ও বিস্তারিত নির্দেশনা কমিশনের ওয়েবসাইটেই পাবেন — তৃতীয় পক্ষের সাইটের তথ্যে ভরসা না করে মূল বিজ্ঞপ্তিটা একবার নিজে পড়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

চলমান আরও সরকারি নিয়োগের খবর জানতে দেখতে পারেন আমাদের পেট্রোবাংলা নিয়োগ ২০২৬ (৭৫৪ পদ, আবেদন চলছে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত) এবং বিসিআইসি নিয়োগ ২০২৬ (২৭৪ পদ) — দুটোতেই টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন।

সাব-রেজিস্ট্রার: ৮৪ পদ — এবারের সবচেয়ে বড় সুযোগ

পুরো সার্কুলারে একক পদ হিসেবে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ সাব-রেজিস্ট্রারে — ৮৪টি। গ্রেড-৯, মূল বেতন ৪৪,০০০ থেকে ১,০৫,৯০০ টাকা। সাব-রেজিস্ট্রাররা আইন ও বিচার বিভাগের অধীনে জমি রেজিস্ট্রেশন অফিসে দলিল রেজিস্ট্রেশন, যাচাই ও সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন — উপজেলা পর্যায়ে এটা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদ।

এই পদের সবচেয়ে বড় সুবিধা যোগ্যতার শর্তে: যেকোনো বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান), অথবা স্নাতকসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকলেই চলবে। অর্থাৎ বাংলা, ইতিহাস, ব্যবস্থাপনা, সমাজবিজ্ঞান — যে বিষয়েই পড়ুন না কেন, দরজা খোলা। আমার মতে, যারা বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য এটা আদর্শ বিকল্প লক্ষ্য, কারণ লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান) বিসিএস প্রিলির সঙ্গে অনেকটাই মিলে যায় — এক প্রস্তুতিতে দুই পরীক্ষার সুযোগ।

একটা বাস্তব কথা বলে রাখি: পদ বেশি বলে প্রতিযোগিতা কম ভাববেন না। গতবারের সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগগুলোতেও প্রতি পদের বিপরীতে কয়েকশ আবেদন পড়েছিল। তবে বিসিএসের লাখো প্রতিযোগীর তুলনায় এখানে মাঠটা অনেক ছোট — আর সেটাই আপনার সুবিধা। সরকারি চাকরিতে কর্মরতদের জন্য বয়স ৩৫ পর্যন্ত শিথিল থাকায় অভিজ্ঞ প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

বেতন-ভাতা: মূল স্কেলের বাইরে যা পাবেন

বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটা পদের মূল বেতন স্কেল দেওয়া আছে — গ্রেড-৫-এ ৮৬,০০০ টাকা থেকে শুরু করে গ্রেড-১২-এ ২৪,৩০০ টাকা। কিন্তু হাতে পাওয়া বেতন শুধু মূল স্কেলে সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি নিয়মে এর সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা যোগ হয়। বাড়িভাড়া কর্মস্থলভেদে আলাদা — ঢাকায় সর্বোচ্চ হারে, বিভাগীয় ও জেলা শহরে আনুপাতিক হারে।

একটা হিসাব দিই: গ্রেড-৯-এর ৪৪,০০০ টাকা মূল বেতনের সঙ্গে ভাতা মিলিয়ে শুরুর দিকে মাসে হাতে পাওয়া অঙ্কটা ৬০ হাজারের ঘরে পৌঁছে যায় (কর্মস্থলভেদে কমবেশি)। গ্রেড-৫-এর সিস্টেম এনালিস্ট পদে সেটা লাখ ছাড়িয়ে যাবে সহজেই। সঙ্গে আছে সরকারি চাকরির নিয়মিত পদোন্নতি, পেনশন সুবিধা ও চাকরির নিরাপত্তা — যা বেসরকারি খাতের মোটা বেতনের চাকরিতেও মেলে না।

আবেদনের পর কী হবে: লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা

আবেদন শেষ হলেই কাজ শেষ নয় — আসল লড়াইটা পরীক্ষার হলে। ৯ম থেকে ১২তম গ্রেডের পদগুলোতে লিখিত পরীক্ষা হবে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে। আর ৫ম ও ৬ষ্ঠ গ্রেডের পদে প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকলে সরাসরি ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে; প্রার্থী বেশি হলে সেখানে বাছাই বা লিখিত পরীক্ষাও হতে পারে।

প্রস্তুতির ব্যাপারে আমার স্পষ্ট মতামত: বিগত সালের নন-ক্যাডার প্রশ্নগুলো আগে শেষ করুন। পিএসসির প্রশ্নের ধরন বেশ স্থিতিশীল — বাংলা ব্যাকরণ, ইংরেজি গ্রামার, পাটিগণিত আর বাংলাদেশ বিষয়াবলি থেকে প্রশ্নের প্যাটার্ন প্রায় একই থাকে। সাব-এসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার পদে আলাদা করে এপ্টিচ্যুড টেস্ট দিতে হবে, আর প্রটোকল অফিসারের প্রার্থীদের কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ে দক্ষ হতে হবে — এই দুটো ব্যবহারিক দিক অনেকেই খেয়াল করেন না।

পরীক্ষার তারিখ ও প্রবেশপত্রের তথ্য SMS-এর মাধ্যমে জানানো হবে। প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে bpsc.teletalk.com.bd থেকে, User ID ও Password দিয়ে। আবেদনের সময় যে মোবাইল নম্বর দিয়েছিলেন, সেটা পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চালু রাখুন — অনেক প্রার্থী সিম বদলে ফেলে গুরুত্বপূর্ণ SMS মিস করেন।

মৌখিক পরীক্ষায় সঙ্গে নিতে হবে: BPSC Form-5A-এর অতিরিক্ত এক সেট, সব শিক্ষাগত সনদের মূল বা সাময়িক কপি, NID ও নাগরিকত্ব সনদের সত্যায়িত কপি, ৩ কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, প্রবেশপত্র এবং অভিজ্ঞতার সনদ। সরকারি চাকরিজীবীরা ছাড়পত্রের মূল কপি নিতে ভুলবেন না।

যারা একই সঙ্গে একাধিক সরকারি নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য আনসার-ভিডিপি নিয়োগ ২০২৬-এর আপডেটটাও দেখে রাখতে পারেন — সিলেবাসের মিল থাকায় এক প্রস্তুতিতেই দুটো পরীক্ষা কভার করা যায়।

আবেদনের সময় যে ৭টি ভুল সবচেয়ে বেশি হয়

প্রতি বছর হাজারো যোগ্য প্রার্থী শুধু ছোট ছোট ভুলে বাদ পড়েন। আমার দেখা সবচেয়ে কমন ভুলগুলো:

১. শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা করা: ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় সার্ভার বন্ধ হয়ে যাবে। শেষ ২-৩ দিন সার্ভারে চাপ থাকে, পেমেন্ট আটকে যায়। ২০ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন ও ফি — দুটোই শেষ করে ফেলুন।

২. ৭২ ঘণ্টার ফি-জমার সময়সীমা মিস করা: ফর্ম সাবমিট করলেই আবেদন সম্পূর্ণ হয় না। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে SMS-এ ফি না দিলে আবেদন বাতিল। সাবমিটের দিনই ফি দিয়ে দিন।

৩. ভুল সাইজের ছবি-স্বাক্ষর: ছবি ৩০০×৩০০ পিক্সেল/১০০ KB, স্বাক্ষর ৩০০×৮০/৬০ KB — এর বাইরে গেলেই আপলোড ব্যর্থ হবে। আগেই রিসাইজ করে রাখুন।

৪. NID-সনদে নামের অমিল: ফর্মের নাম NID ও সনদের সঙ্গে হুবহু মিলতে হবে। ডাকনাম বা সংক্ষিপ্ত নাম লিখবেন না।

৫. User ID-Password হারিয়ে ফেলা: ফি জমার পর আসা User ID ও Password ছাড়া প্রবেশপত্র ডাউনলোড অসম্ভব। স্ক্রিনশট ও খাতায় — দুই জায়গায় সংরক্ষণ করুন।

৬. ডিপ্লোমার শর্ত উপেক্ষা করা: যেসব পদে ডিপ্লোমা চাওয়া হয়েছে, সেখানে উচ্চতর ডিগ্রি থাকলেও ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক। শুধু বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং দিয়ে সাব-এসিস্ট্যান্ট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারে আবেদন করা যাবে না।

৭. ভুয়া তথ্য দিয়ে একাধিক অ্যাডমিট কার্ড: একাধিকবার মিথ্যা তথ্য দিয়ে একাধিক প্রবেশপত্র নিলে প্রার্থিতা বাতিল হবে — এবং এটা স্থায়ী কালো দাগ।

একটা সতর্কবাণী না দিলেই নয়: চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে কেউ টাকা চাইলে বুঝবেন প্রতারণা। পিএসসির নিয়োগে কোনো আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই; তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থাও হবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
৩০ নভেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৬টা। আবেদন শুরু ১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়, ওয়েবসাইট bpsc.teletalk.com.bd।

আবেদন ফি কত এবং কীভাবে দেবো?
৫ম, ৬ষ্ঠ, ৯ম ও ১০ম গ্রেডে ২০০ টাকা; ১১তম ও ১২তম গ্রেডে ১৫০ টাকা; অনগ্রসর নাগরিকদের জন্য সব পদে ৫০ টাকা। টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে ১৬২২২ নম্বরে দুটি SMS পাঠিয়ে ফি দিতে হয় — সাবমিটের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।

একাধিক পদে আবেদন করা যাবে কি?
হ্যাঁ। যোগ্যতা থাকলে একাধিক পদে আবেদন করা যায়, তবে প্রতিটি পদের জন্য আলাদা ফি জমা দিতে হবে।

বয়সসীমা কত?
পদভেদে সর্বোচ্চ ৩২ থেকে ৪০ বছর, ০১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের হিসাবে। বেশিরভাগ পদে ৩২ বছর; সাব-রেজিস্ট্রারে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৩৫ পর্যন্ত শিথিল।

মহিলা প্রার্থীরা কোন পদে আবেদন করতে পারবেন?
প্রায় সব পদেই নারী-পুরুষ উভয়ে আবেদন করতে পারবেন। তবে এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনার ও তিনটি সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর (ট্রেড) পদে কেবল মহিলা প্রার্থীরা বিবেচিত হবেন।

ছবি ও স্বাক্ষরের সাইজ কত?
রঙিন ছবি ৩০০×৩০০ পিক্সেল (সর্বোচ্চ ১০০ KB), স্বাক্ষর ৩০×৮০ পিক্সেল নয় — ৩০০×৮০ পিক্সেল (সর্বোচ্চ ৬০ KB)। ছবি অবশ্যই সদ্য তোলা হতে হবে।

প্রবেশপত্র কীভাবে পাবো?
ফি জমার পর পাওয়া User ID ও Password দিয়ে bpsc.teletalk.com.bd থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। পরীক্ষার তারিখ SMS-এ জানানো হবে।

লিখিত পরীক্ষায় কোন কোন বিষয় থাকবে?
৯ম থেকে ১২তম গ্রেডের পদে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। ৫ম-৬ষ্ঠ গ্রেডে প্রার্থী কম থাকলে সরাসরি ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

শেষ কথা

পিএসসির নন-ক্যাডার সার্কুলার বছরে হাতেগোনা কয়েকবার আসে, আর ১৪৭ পদের এমন সমন্বিত বিজ্ঞপ্তি আরও বিরল। সাব-রেজিস্ট্রারের ৮৪টা পদ, নার্সিংয়ে ২৮টা পদ, ডিপ্লোমাধারীদের জন্য ৭টা ইঞ্জিনিয়ার পদ — প্রতিটা ক্যাটাগরিতেই কারও না কারও জন্য দরজা খোলা। আমার পরামর্শ একটাই: যোগ্যতা মিলিয়ে আজই সিদ্ধান্ত নিন, কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন, আর ১ নভেম্বর সার্ভার খুলতেই আবেদনটা সেরে ফেলুন। শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়োয় ভালো সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার কষ্টটা অনেক দিন থাকে।

আবেদন করতে যান: bpsc.teletalk.com.bd | বিজ্ঞপ্তি যাচাই করুন: www.bpsc.gov.bd

শেয়ার করো: Facebook Telegram WhatsApp