হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চাকরির খবর খুঁজছেন? তাহলে আপনার জন্য সুখবর আছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানে সাত ক্যাটাগরির পদে মোট ১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। অষ্টম শ্রেণি পাস থেকে শুরু করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার পর্যন্ত নানা যোগ্যতার প্রার্থীরা এখানে আবেদন করতে পারবেন, আর বাংলাদেশের সব জেলার স্থায়ী নাগরিকদের জন্য দরজা খোলা।
সরাসরি উত্তরটা আগেই দিয়ে রাখি: এইচবিআরআই নিয়োগ ২০২৬-এর অনলাইন আবেদন চলছে, আর শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা। আবেদন করতে হবে শুধু hbri.teletalk.com.bd পোর্টালে, অন্য কোনো মাধ্যমে আবেদন নেওয়া হবে না। এই পোস্টে আমি পদভিত্তিক শূন্যপদ, যোগ্যতা, বেতন, বয়সসীমা, আবেদন ফি আর ধাপে ধাপে আবেদনের নিয়ম — সবকিছু এক জায়গায় গুছিয়ে দিয়েছি, যাতে আলাদা করে আর কোথাও খুঁজতে না হয়। অনেকে গুগলে HBRI job circular 2026 লিখেও এই বিজ্ঞপ্তিটা খোঁজেন, তাই দুই ভাষার পাঠকের কথাই মাথায় রেখে লেখা হয়েছে।
এক নজরে এইচবিআরআই নিয়োগ ২০২৬
| প্রতিষ্ঠান | হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) |
| মন্ত্রণালয় | গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় |
| চাকরির ধরন | অস্থায়ী ভিত্তিতে সরাসরি নিয়োগ, সরকারি |
| পদ ক্যাটাগরি | ৭টি |
| মোট শূন্যপদ | ১৭ জন |
| বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ | ১১ অক্টোবর ২০২৬ |
| আবেদন শুরু | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ |
| আবেদনের শেষ তারিখ | ১৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা |
| আবেদনের মাধ্যম | অনলাইন, hbri.teletalk.com.bd |
| বয়সসীমা | সাধারণভাবে ১৮ থেকে ৩২ বছর; নিরাপত্তা প্রহরী পদে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪০ বছর পর্যন্ত |
| অফিশিয়াল ওয়েবসাইট | hbri.gov.bd |
আমার অভিজ্ঞতায় এই ধরনের ছোট বিজ্ঞপ্তিতেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়। পদসংখ্যা কম বলে অনেকে ধরে নেন প্রতিযোগিতা কম হবে, আসলে উল্টোটা ঘটে। অফিস সহায়কের সাতটি পদের জন্য হাজার হাজার আবেদন জমা পড়ে। তাই শেষ দিনের জন্য ফেলে না রেখে, যোগ্যতা মিললেই আগেভাগে আবেদন সেরে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
এইচবিআরআই নিয়োগ ২০২৬-এ কোন কোন পদে কতজন নেওয়া হবে?
এই বিজ্ঞপ্তিতে মোট সাত ক্যাটাগরির পদে ১৭ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি পদ অফিস সহায়কে, সাতটি। বাকি পদগুলো এক থেকে তিনটি করে। নিচের ছকটা একবার দেখলেই পুরো চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
| পদের নাম | পদসংখ্যা | গ্রেড ও বেতন স্কেল |
|---|---|---|
| উপসহকারী প্রকৌশলী | ১টি | গ্রেড-১০, ৩২,০০০–৭৭,৩০০ টাকা |
| কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক | ১টি | গ্রেড-১৬, ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা |
| ড্রাইভার | ১টি | গ্রেড-১৬, ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা |
| প্লাম্বার | ১টি | গ্রেড-১৬, ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা |
| অফিস সহায়ক | ৭টি | গ্রেড-২০, ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা |
| নিরাপত্তা প্রহরী | ৩টি | গ্রেড-২০, ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা |
| পরিচ্ছন্নতাকর্মী | ৩টি | গ্রেড-২০, ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা |
একটা কথা এখানে পরিষ্কার করে বলা দরকার। কিছু সাইটে এই বিজ্ঞপ্তির মোট পদসংখ্যা ভুলভাবে লেখা হয়েছে। কিন্তু পদভিত্তিক সংখ্যা যোগ করলে দাঁড়ায় ১ + ১ + ১ + ১ + ৭ + ৩ + ৩ = ১৭। এই পোস্টে আমি সেই যোগফলটাই ব্যবহার করেছি, যাতে আপনার হিসাব মেলাতে কোনো অসুবিধা না হয়।
প্রতিটি পদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা কী লাগবে?
প্রতিটি পদের যোগ্যতা আলাদা। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন, তারপর আবেদন করুন। ভুল পদে আবেদন করলে ফি আর সময় — দুটোই নষ্ট হবে।
উপসহকারী প্রকৌশলী: ১টি পদ
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশল বা মেকানিক্যাল প্রকৌশলে ডিপ্লোমা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অর্থাৎ ডিপ্লোমা থাকলেই আবেদন করা যাবে, তবে হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে এগিয়ে থাকবেন। বেতন স্কেল গ্রেড-১০ অনুযায়ী ৩২,০০০ থেকে ৭৭,৩০০ টাকা।
কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক: ১টি পদ
স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা থাকতে হবে, আর সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় সর্বনিম্ন ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ২০ শব্দ টাইপ করার গতি থাকতে হবে। টাইপিং গতি এখানে শুধু কাগজের যোগ্যতা নয়, পরীক্ষায় সত্যিই যাচাই করা হয়।
ড্রাইভার: ১টি পদ
অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। হালকা ও ভারী যানবাহন চালানোর বৈধ লাইসেন্সসহ পাঁচ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শুধু লাইসেন্স থাকলেই হবে না, পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতার প্রমাণও লাগবে। তাই লাইসেন্সের মেয়াদ আর অভিজ্ঞতার কাগজপত্র আগেই গুছিয়ে রাখুন।
প্লাম্বার: ১টি পদ
অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে, আর প্লাম্বিং কাজে তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যারা নিয়মিত প্লাম্বিংয়ের কাজ করেন, তাদের জন্য এটা একদম মানানসই পদ। অভিজ্ঞতার সনদ না থাকলে আবেদন ঝুঁকিতে পড়বে।
অফিস সহায়ক: ৭টি পদ
স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এই পদে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ে, কারণ যোগ্যতার বাধা কম। আবেদনকারীদের জন্য আমার পরামর্শ, শুধু আবেদন করেই বসে থাকবেন না, লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতিটাও সঙ্গে সঙ্গে শুরু করে দিন।
নিরাপত্তা প্রহরী: ৩টি পদ
অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। প্রতিরক্ষা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এই পদে শারীরিক সক্ষমতা আর দায়িত্বশীলতা সবচেয়ে বড় যোগ্যতা, সনদের পাশাপাশি সেটাও মাথায় রাখতে হবে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী: ৩টি পদ
অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। পেশাদার সুইপার শ্রেণির প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কাজের প্রতি সম্মান আর নিয়মিত উপস্থিতি এই পদের মূল চাবিকাঠি।
বয়সসীমা কত, কারা আবেদন করতে পারবেন?
সাধারণ প্রার্থী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও সন্তানের সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩২ বছর। তবে নিরাপত্তা প্রহরী পদে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৪০ বছর পর্যন্ত। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই জন্মসনদ বা শিক্ষাগত সনদের তথ্যই চূড়ান্ত বলে ধরে নিন। বাংলাদেশের সব জেলার স্থায়ী নাগরিকেরা আবেদন করতে পারবেন, কোনো জেলার জন্য আলাদা বাধা নেই। সরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করাই নিরাপদ।
আবেদন ফি কত, কীভাবে জমা দেবেন?
আবেদন ফি পদভেদে আলাদা। অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড নম্বরের মাধ্যমে নির্ধারিত পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। ফি জমা না দেওয়া পর্যন্ত আবেদনপত্র গৃহীত হবে না, এই কথাটা অনেকেই হালকাভাবে নেন, আর পরে দেখা যায় আবেদন বাতিল হয়ে গেছে।
| পদ | মোট ফি (সার্ভিস চার্জসহ) |
|---|---|
| উপসহকারী প্রকৌশলী | ২২৩ টাকা (পরীক্ষার ফি ২০০ + সার্ভিস চার্জ ২৩) |
| কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক | ১৬৮ টাকা (পরীক্ষার ফি ১৫০ + সার্ভিস চার্জ ১৮) |
| ড্রাইভার ও প্লাম্বার | ১১২ টাকা (পরীক্ষার ফি ১০০ + সার্ভিস চার্জ ১২) |
| অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী | ৫৬ টাকা (পরীক্ষার ফি ৫০ + সার্ভিস চার্জ ৬) |
ফি জমা দেওয়ার পর ফিরতি এসএমএসটা সংরক্ষণ করে রাখুন। আবেদনকারীর কপির সঙ্গে এই প্রমাণটা পরে কাজে লাগে। টেলিটকে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলে বারবার চেষ্টা করে সময় নষ্ট করবেন না, আগেই ব্যালেন্স চেক করে নিন।
অনলাইনে আবেদন করার ধাপগুলো কী?
আবেদনটা সহজ, কিন্তু তাড়াহুড়ো করলেই ভুল হয়। নিচের ধাপগুলো ধীরে ধীরে অনুসরণ করুন।
- প্রথমে hbri.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। শুধু এই অফিশিয়াল পোর্টাল থেকেই আবেদন করুন, অন্য কোনো সাইটের লিংকে ভরসা করবেন না।
- নিজের পদের নামটি ঠিকভাবে বেছে নিন। একবার জমা দিলে পদ বদলানো যায় না, তাই এই ধাপে দুইবার মিলিয়ে দেখুন।
- আবেদন ফরমে নাম, পিতার নাম, জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা আর যোগাযোগের তথ্য সনদের সঙ্গে হুবহু মিলিয়ে লিখুন। বানান ভুল হলে পরে সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- রঙিন ছবি আপলোড করুন: ৩০০×৩০০ পিক্সেল, ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ১০০ কিলোবাইট। সদ্য তোলা, পরিষ্কার ছবি ব্যবহার করুন।
- স্বাক্ষর আপলোড করুন: ৩০০×৮০ পিক্সেল, ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ৬০ কিলোবাইট। সাদা কাগজে কালো কালিতে স্বাক্ষর করে স্ক্যান করলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।
- ফরম জমা দেওয়ার আগে পুরো ফরমটা একবার উপর থেকে নিচ পর্যন্ত পড়ে নিন। আমার অভিজ্ঞতায় এই এক মিনিটের পড়াটাই সবচেয়ে বেশি ভুল আটকায়।
- জমা দেওয়ার পর পাওয়া অ্যাপ্লিক্যান্টস কপি ডাউনলোড করে রঙিন প্রিন্ট নিন। এতে থাকা ইউজার আইডি দিয়েই ফি জমা দিতে হবে।
- ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড থেকে ফি জমা দিন, আর কনফার্মেশন এসএমএস সংরক্ষণ করুন।
পরীক্ষা কীভাবে হবে, অ্যাডমিট কার্ড কবে পাবেন?
নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী লিখিত, ব্যবহারিক (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। কেবল লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। পরীক্ষার সময়সূচি ও ফলাফল প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট hbri.gov.bd-তে প্রকাশ করা হবে। লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি আবেদনপত্রে দেওয়া মোবাইল নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। তাই আবেদন ফরমে এমন একটি মোবাইল নম্বর দিন, যেটা পরীক্ষার দিন পর্যন্ত সচল থাকবে। নম্বর বদলানোর পরিকল্পনা থাকলে এখনই সেটা মাথায় রাখুন।
আবেদনের আগে যে ভুলগুলো অবশ্যই এড়াবেন
প্রতিবছর একই ভুলগুলো দেখা যায়, আর সেগুলো এড়ানো মোটেই কঠিন নয়। প্রথম ভুল, শেষ দিনে আবেদন করা। শেষ দিনে সার্ভার ব্যস্ত থাকে, ছবি আপলোড আটকে যায়, ফি জমা দিতে দেরি হয়। দ্বিতীয় ভুল, সনদের সঙ্গে না মিলিয়ে নাম-জন্মতারিখ লেখা। তৃতীয় ভুল, ভুল মাপের ছবি বা স্বাক্ষর আপলোড করা। চতুর্থ ভুল, ফি জমা না দিয়ে নিশ্চিন্তে বসে থাকা। পঞ্চম ভুল, অ্যাপ্লিক্যান্টস কপি প্রিন্ট না রাখা। এই পাঁচটা ভুল এড়াতে পারলেই আপনার আবেদন অনেকটা নিরাপদ।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখের ছক
| বিষয় | তারিখ ও সময় |
|---|---|
| বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ | ১১ অক্টোবর ২০২৬ |
| অনলাইন আবেদন শুরু | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ |
| অনলাইন আবেদনের শেষ তারিখ | ১৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা |
| ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা | আবেদন জমার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে |
| পরীক্ষার সময়সূচি | পরে hbri.gov.bd-তে প্রকাশ করা হবে |
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের চেকলিস্ট
- সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্র
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- সদ্য তোলা রঙিন ছবি (৩০০×৩০০ পিক্সেল, ১০০ কিলোবাইটের মধ্যে)
- স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি (৩০০×৮০ পিক্সেল, ৬০ কিলোবাইটের মধ্যে)
- অভিজ্ঞতার সনদ (ড্রাইভার, প্লাম্বার ও নিরাপত্তা প্রহরী পদের জন্য প্রযোজ্য)
- ড্রাইভিং লাইসেন্স (ড্রাইভার পদের জন্য)
- টেলিটক প্রিপেইড সিমে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স
- সচল মোবাইল নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা
অন্যান্য চলমান সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
এইচবিআরআইয়ের পাশাপাশি আরও কয়েকটি সরকারি নিয়োগে আবেদন চলছে। যেমন, বিপিএটিসি নিয়োগ ২০২৬-এ ৩৯ পদে আবেদন চলছে, বিসিআইসি নিয়োগ ২০২৬-এ ২৭৪ পদে আবেদন চলছে, পেট্রোবাংলা নিয়োগ ২০২৬-এ ৭৫৪ পদে আবেদন চলছে এবং পিএসসি নন-ক্যাডার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬-এ ১৪৭ পদে আবেদন চলছে। নিজের যোগ্যতার সঙ্গে মিলিয়ে একাধিক বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করলে সুযোগ বাড়ে, তবে প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে যত্ন নিয়ে করতে হবে।
অফিশিয়াল লিংক
- অনলাইন আবেদন পোর্টাল: hbri.teletalk.com.bd
- প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট: hbri.gov.bd
সব তথ্য অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি ও নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে যাচাই করে লেখা হয়েছে। তারপরও আবেদনের আগে অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিটা একবার নিজে পড়ে নিন, কারণ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবসময় বিজ্ঞপ্তির লেখাটাই।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এইচবিআরআই নিয়োগ ২০২৬-এ মোট কতজন নিয়োগ দেওয়া হবে?
সাত ক্যাটাগরির পদে মোট ১৭ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে অফিস সহায়কে ৭ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীতে ৩ জন করে, আর বাকি চারটি পদে ১ জন করে নেওয়া হবে।
এইচবিআরআই নিয়োগের আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
অনলাইন আবেদনের শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা। এর পর আর আবেদন জমা নেওয়া হবে না, তাই শেষ দিনের অপেক্ষা না করে আগেই আবেদন সেরে ফেলুন।
এইচবিআরআই নিয়োগে আবেদন করতে কত টাকা ফি লাগবে?
পদভেদে ফি আলাদা। উপসহকারী প্রকৌশলীতে ২২৩ টাকা, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকে ১৬৮ টাকা, ড্রাইভার ও প্লাম্বারে ১১২ টাকা, আর অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীতে ৫৬ টাকা। ফি জমা দিতে হবে আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।
কোন যোগ্যতায় এইচবিআরআইয়ে আবেদন করা যাবে?
পদভেদে অষ্টম শ্রেণি পাস, এসএসসি, এইচএসসি বা ডিপ্লোমা — সব স্তরের প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। ড্রাইভার ও প্লাম্বার পদের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতা আবশ্যক, আর কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য টাইপিং গতি যাচাই করা হবে।
এইচবিআরআই নিয়োগের আবেদন কোথায় করব?
শুধু hbri.teletalk.com.bd পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অন্য কোনো মাধ্যমে, ডাকে বা সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
এইচবিআরআই নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে?
পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি পরে hbri.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, আর আবেদনকারীদের মোবাইলে এসএমএসও পাঠানো হবে।
শেষ কথা
১৭টি পদ শুনতে কম মনে হতে পারে, কিন্তু সরকারি চাকরির বাজারে এমন সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক নয়। যোগ্যতা মিলে গেলে আজই আবেদনটা সেরে ফেলুন, ফি জমা দিন, আর অ্যাপ্লিক্যান্টস কপিটা যত্ন করে রেখে দিন। পরীক্ষার প্রস্তুতিটা আবেদনের দিন থেকেই শুরু করুন, কারণ লিখিত পরীক্ষায় যারা এগিয়ে থাকবেন, তারাই পরের ধাপে যাবেন। আবেদন করতে অফিশিয়াল পোর্টাল hbri.teletalk.com.bd-তে যান, আর কোনো তথ্য নিয়ে সন্দেহ থাকলে অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিটাই চূড়ান্ত বলে ধরে নিন। আপনার আবেদন সফল হোক, এই শুভকামনা রইল।

